British Wholesales - Certified Wholesale Linen & Towels | Halal Food Gastronomy | PHP 8.4 patch for vBulletin 4.2.5

Muslim Woman

Super Moderator
Messages
12,300
Reaction score
1,449
Gender
Female
Religion
Islam
কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন।

একদিন তাকে বলা হলো, তাকে একটি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বলা হলো, সে বিশ্বের সবচেয়ে জ্ঞানী, ধনী এবং প্রভাবশালী মনীষীদের সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে।

সরল বিশ্বাসে মেয়েটি প্লেনে উঠল। কিন্তু সে জানত না, চকচকে ওই প্লেনটির নাম 'ললিটা এক্সপ্রেস' (Lolita Express)।
সে জানত না, এই প্লেনটি তাকে স্বপ্নের দেশে নয়, বরং দাজ্জালিক সভ্যতার এক গোপন জাহান্নামে নিয়ে যাচ্ছে। যার গন্তব্য প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'লিটল সেন্ট জেমস'।

দ্বীপটি দেখতে দুনিয়াবী জান্নাতের মতো। চারদিকে নীল সমুদ্র, মাঝখানে রাজকীয় প্রাসাদ। কিন্তু প্রাসাদের ভেতরে ঢুকতেই মেয়েটির স্বপ্ন কাঁচের মতো চুরমার হয়ে গেল।

সে দেখল, টিভির পর্দায় যাদের সে হিরো হিসেবে দেখেছে, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী, বিশ্বনেতা, হলিউড সুপারস্টার তারা সেখানে বসে আছে। কিন্তু তাদের চোখে মমতা নেই, আছে এক আদিম, পৈশাচিক ক্ষুধা।

মেয়েটি চিৎকার করে বলেছিল, "আমি মায়ের কাছে যাব!" কিন্তু তার কান্না চাপা পড়ে গিয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরের গর্জনে আর শ্যাম্পেনের বোতল খোলার শব্দে।

তাকে বলা হতো, "চুপ থাকো! এরা এই পৃথিবীর ঈশ্বর। এদের সেবা করাই তোমার কাজ।" দিনের পর দিন, এই নিষ্পাপ শিশুদের ছিঁড়ে খেয়েছে তারা, যাদের পোস্টার আপনারা ঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন।

আপনারা হয়তো ভাবছেন, এত বড় বড় রুই-কাতলারা জড়িত, তাহলে এই খবর বের হলো কীভাবে?
জেফ্রি এপস্টেইন ছিল অত্যন্ত চতুর। সে তার ক্লায়েন্টদের নাম এবং কন্টাক্ট ডিটেইলস লিখে রাখত একটি ছোট কালো ডায়েরিতে, যা 'দ্য ব্ল্যাকবুক' (The Black Book) নামে পরিচিত। এটি ছিল তার ইনস্যুরেন্স পলিসি। সে ভাবত, এই রাঘব-বোয়ালদের নাম তার কাছে আছে বলে কেউ তাকে ছোঁবে না।

কিন্তু পাপ বাপকেও ছাড়ে না। 'ভার্জিনিয়া জুফরে' (Virginia Giuffre) নামের এক সাহসী নারী, যে ছোটবেলায় এই পিশাচদের শিকারে পরিণত হয়েছিল, সে এপস্টেইনের সহযোগী এবং রক্ষিতা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়।

সেই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সিলড ডকুমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করার আদেশ দেওয়া হয়।
বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখল, এতদিন তারা যাদের ভদ্রলোক ভেবে এসেছে, আদালতের নথিতে তাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করছে জঘন্য সব অপরাধের সাথে।

কাদের নাম নেই সেখানে? তালিকাটি দেখলে আপনার পায়ের তলার মাটি সরে যাবে।

১. বিল ক্লিনটন: আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট, গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা। তিনি এই দ্বীপে এবং এপস্টেইনের প্লেনে চড়েছেন বহুবার। নথিতে তাকে নিয়ে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে।

২. প্রিন্স এন্ড্রু: ব্রিটিশ রাজপরিবারের অহংকার। যার আভিজাত্যের গল্প শুনে আপনারা বড় হয়েছেন, সেও ছিল এই দ্বীপের নিয়মিত খদ্দের।

৩. স্টিফেন হকিং: যার বিজ্ঞান আর কসমোলজি নিয়ে আপনারা মুগ্ধ। তিনিও গিয়েছিলেন সেই পাপের দ্বীপে। নথিতে তার নামও উঠে এসেছে মাইনরদের সাথে সম্পর্কিত এক প্রসঙ্গে।

৪. বিল গেটস: বিশ্বের সেরা ধনী এবং ফিলানথ্রোপিস্ট। আফ্রিকায় শিশুদের টিকা দেয় (যদিও মহামারী ছড়িয়ে দেয়ার টিকা, বিভিন্ন ভাইরাস টেস্ট করার টিকা) তারও ঘনিষ্ঠতা ছিল এই শিশু পাচারকারীর সাথে।

৫. ডোনাল্ড ট্রাম্প: বিশ্ব রাজনীতির আরেক মোড়ল।
৬. হলিউড ও গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড: কেভিন স্পেসি থেকে শুরু করে নামকরা সব মডেল ও অভিনেতারা, যারা আপনাদের আইডল, তারা অনেকেই ছিলেন এই চক্রের অংশ।

জেফ্রি এপস্টেইন কি কেবল একজন বিকৃতকামী ধনী ছিল? না। সে ছিল মোসাদ (Mossad) এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার একটি হানি ট্র্যাপ প্রজেক্টের এজেন্ট।

তার কাজ ছিল বিশ্বনেতাদের এই দ্বীপে নিয়ে এসে তাদের নোংরা কাজের ভিডিও রেকর্ড করে রাখা যাকে গোয়েন্দা ভাষায় বলা হয় Kompromat। পরবর্তীতে এই ভিডিওগুলো দিয়েই তাদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো।

আপনার প্রিয় নেতারা যখন টিভিতে দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে বা অদ্ভুত সব সেকুলার এজেন্ডার পক্ষে কথা বলে, তখন তাদের গলার দড়িটা আসলে জায়নবাদীদের হাতে থাকে। তারা জানে, মুখ খুললেই তাদের ওই গোপন ভিডিও ফাঁস হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক যদি শরিয়া নিয়ে কথা বলে, নারীদেরকে ঘরমুখী, ফ্রি মিক্সিং মুক্ত পরিবেশ করার কথা বলে, অল্প বয়সে বিয়ে নিয়ে কথা বলে তখন এই দেশের সুশীলরা, নারীবাদীরা চিৎকার করে আকাশ-বাতাস ভারী করে ফেলে, "মোল্লারা সব শিশুকামী!"

কিন্তু আজ যখন শত শত প্রমাণ সামনে আসছে যে, তাদের স্বপ্নের আমেরিকা, তাদের সভ্যতার ধারক-বাহকেরা একেকজন জঘন্য লেভেলের পেড|ফ|ইল তখন তারা মুখে কুলুপ এঁটেছে। কেন? কারণ এই পিশাচরা টাই পরে, ইংরেজিতে কথা বলে এবং দামী পারফিউম মাখে। তাদের কাছে সাদা চামড়ার অপরাধ কোনো অপরাধ না, ওটা লাইফস্টাইল। যত্তসব ভন্ড হিপোক্রিটের দল, সবগুলারে আমেরিকান হাই হিল দিয়ে পিডানো দরকার।

এই দাজ্জালিক বা NWO (New World Order) এর মূলমন্ত্রই হলো পারিবারিক প্রথা ধ্বংস করা এবং বিকৃত যৌনতাকে নরমাল করা। এই এপস্টেইন চক্র কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা সেকুলার পুঁজিবাদী ব্যবস্থার পচে যাওয়া কলিজার বাস্তব ছবি।
আপনার রব কি বলেননি, "ফিতনা হত্যা অপেক্ষা গুরুতর"?
ইসলাম ছাড়া, শরিয়াহ ছাড়া এই পিশাচদের থামানোর কোনো আইন দুনিয়াতে নেই। কারণ আইন যারা বানায় (Lawmakers), তারাই আজ এই অপরাধের হোতা।

কান্না করেন। শুধু ওই নির্যাতিত শিশুদের জন্য না, নিজের ঈমানের অবস্থার জন্য কান্না করেন। আপনি কাদের ফলো করছেন? হাশরের মাঠে এই পেডোফাইলরা যখন জাহান্নামে যাবে, আপনাকে যেন তাদের ফ্যান বা সাপোর্টার হিসেবে তাদের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেই মোনাজাত করেন! এখন সিদ্ধান্ত আপনার।

— Sawtul Zilzal

Epstain files(এপস্টাইন ফাইল)প্রমাণ করে দিলো পশ্চিমা কথিত মানবতার ধ্বজাধারীরা আসলে এক্সাক্টলি কতটা অসভ্য! just Imagine! তারা শুধু পেডোফাইলই ছিল না সাথে সাথে তারা শিশুদের গোস্ত (মানুষ) খেতে পরিবেশন করত! এপস্টাইন আইল্যান্ডের খদ্দেরদের মধ্যে আছে ট্রাম্প,ইলন মাস্ক,মোদী ,জোহরান মামদানীর মা সহ পৃথিবীর নামিদামি টেক জায়ান্টের মালিকরা! অতএব আপনার আশেপাশের কুখ্যাত বিখ্যাত সেলিব্রিটিরা গ্লোবাল এপস্টাইন ল্যান্ডের খদ্দের না হলেও লোকাল এপস্টাইন ল্যান্ডের খদ্দের হওয়াটা সন্দেহের আওতায় অবশ্যই।

গত ৩০ জানুয়ারি Epstein Files এর ৩ মিলিয়নেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি, ২,০০০ অধিক ভিডিও এবং ১৮০,০০০টি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। মেরিকার সব কুকর্ম ফাঁস করা হয়েছে! যারা মানবতা, সভ্যতা, নারী অধিকার শেখায় তারাই পর্দার আড়ালে বর্বর, ঘৃণ্য, নিকৃষ্ট কাজকর্ম করে এসেছে, নারী শিশুদের দ্বীপে নিয়ে গিয়ে বিকৃত যৌন নিপীড়নে মেতে ওঠে।
copy post
 
শয়তানের দ্বীপ এবং ক্ষমতার অন্ধকার খেলা!

জেফরি এপস্টেইন কেবল একজন অপরাধী ছিলেন না, তিনি ছিলেন বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতির প্রভাবশালী ব্যক্তিদের এক 'কালো গহ্বর'। সাবেক প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে ব্রিটিশ রাজপরিবার কিংবা টেক জায়ান্ট—সবার সাথেই ছিল তার দহরম-মহরম। তার ব্যক্তিগত ডায়েরি বা 'ব্ল্যাক বুক'-এ যাদের নাম ছিল, তাদের ক্ষমতা দেখে সাধারণ মানুষের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়।
.
অপরাধের প্রধান কারিগর:

১. জেফরি এপস্টেইন (The Architect): তিনি ছিলেন এই চক্রের মগজ। ওয়াল স্ট্রিটের অর্থদাতা হিসেবে পরিচিতি পেলেও তার মূল কাজ ছিল প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলা। তিনি 'ললিটা এক্সপ্রেস' (তার ব্যক্তিগত বিমান) এবং তার ব্যক্তিগত দ্বীপে প্রভাবশালীদের আমন্ত্রণ জানাতেন এবং সেখানে চলত জঘন্য সব কর্মকাণ্ড। অভিযোগ আছে, তিনি ব্ল্যাকমেইল করার জন্য সবার গোপন ভিডিও ধারণ করে রাখতেন।
.
২. ঘিসলেন ম্যাক্সওয়েল (The Recruiter): এপস্টেইনের ডান হাত এবং দীর্ঘদিনের সঙ্গিনী। তার প্রধান কাজ ছিল কম বয়সী মেয়েদের ফুসলিয়ে এপস্টেইনের কাছে আনা। তিনি উচ্চবিত্ত সমাজের নারীদের সাথে মিশতেন এবং খুব কৌশলে তরুণীদের 'সহজ কাজের' প্রলোভন দিয়ে এই পা*চারচক্রে ঢুকিয়ে দিতেন। বর্তমানে তিনি ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
.
যাদের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত (The Influential Links):
• প্রিন্স অ্যান্ড্রু (রাজপরিবার): এই মামলার সবচেয়ে বিতর্কিত নাম। ভুক্তভোগী ভার্জিনিয়া জুফ্রে দাবি করেন, যখন তার বয়স মাত্র ১৭ ছিল, তখন তাকে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সাথে যৌ*নকর্মে বাধ্য করা হয়েছিল। এর ফলে রাজপরিবার তাকে সব ধরনের সামরিক ও দাতব্য পদ থেকে সরিয়ে দেয়।
.
• বিল ক্লিনটন: এপস্টেইনের বিমানে ক্লিনটনের বহুবার যাতায়াতের রেকর্ড রয়েছে। যদিও ক্লিনটন দাবি করেন তিনি অপরাধ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না, তবুও নথিপত্রে তার নাম আসায় বিতর্ক থামেনি।
.
• ডোনাল্ড ট্রাম্প: নব্বইয়ের দশকে ট্রাম্পের সাথে এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠতা ছিল। পরবর্তীতে ট্রাম্প দাবি করেন তাদের মাঝে তিক্ততা সৃষ্টি হয়েছিল এবং তিনি এপস্টেইনকে তার ক্লাব থেকে বহিষ্কার করেছিলেন।
.
• বিল গেটস: ২০২১ সালে জানা যায় যে, এপস্টেইনের সাজা হওয়ার পরেও বিল গেটস তার সাথে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। অনেকের ধারণা, গেটসের ডিভোর্সের পেছনে এই এপস্টেইন কানেকশনও একটি বড় কারণ।
অপরাধের কাঠামো: তারা ঠিক কী করত? এপস্টেইন একটি সিস্টেমেটিক ট্র্যা*ফিকিং রিং চালাতেন।
.
• কি*শোরী সংগ্রহ: স্কুল বা দরিদ্র এলাকা থেকে মেয়েদের 'ম্যা*সাজ থেরাপিস্ট' হিসেবে কাজ দেওয়ার কথা বলে আনা হতো।
.
• পিরামিড স্কিম: একজন মেয়েকে আনা হলে তাকে বলা হতো আরও বন্ধু নিয়ে আসতে, বিনিময়ে তাকে টাকা দেওয়া হতো।
.
• যৌ*ন দাসত্ব: মেয়েদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হতো এবং তাদের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যা*তন চালিয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মনোরঞ্জনে ব্যবহার করা হতো।
.
বিচারের শেষ কোথায়? ২০১৯ সালে এপস্টেইনের রহস্যময় মৃত্যুর পর অনেক রাঘব-বোয়াল ভেবেছিলেন তারা বেঁচে গেলেন। কিন্তু ২০২৪-এর শুরুতে উন্মোচিত হওয়া ৫০০০ পৃষ্ঠার নথি প্রমাণ করছে যে, সত্য ধামাচাপা দেওয়া অসম্ভব।
.
এপস্টেইন মারা গেছেন, কিন্তু তার অপরাধের ক্ষত রয়ে গেছে শত শত নারীর জীবনে। সম্প্রতি আদালত থেকে উন্মুক্ত হওয়া এই 'এপস্টেইন লিস্ট' বিশ্ববিবেকের সামনে এক ভয়ংকর সত্য তুলে ধরেছে। এটি কেবল কিছু কাগজের নথি নয়, বরং জৌলুসময় জীবনের আড়ালে মানুষের বীভৎস লাল*সার এক জীবন্ত দলিল। এই নথিগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, ক্ষমতা আর অর্থের দাপট থাকলে কীভাবে আইনকেও বছরের পর বছর বুড়ো আঙুল দেখানো যায়।
.
সভ্য সমাজের মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ানো এই মানুষগুলো আসলে এক একজন হিংস্র হা*য়েনা। তারা দামী স্যুট-টাই পরেন, বিলাসবহুল প্রাসাদে থাকেন আর জনকল্যাণের বুলি আউড়ান; কিন্তু এর আড়ালে লিপ্ত থাকেন মানব ইতিহাসের নিকৃষ্টতম সব অপরাধে।
.
সমকালীন প্রকাশন
সুন্দর জীবনের জন্য
 
সম্প্রতি ‘এপস্টিন ফাইলস’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে তোলপাড় চলছে। অথচ রাসূলুল্লাহ (সা.) দেড় হাজার বছর আগেই সতর্ক করেছিলেন, কিয়ামতের আগে অশ্লীলতা ও ব্যভিচার প্রকাশ্য রূপ নেবে। (সহীহ বুখারী: ৮০)
.
আজ আমরা ঠিক সেই যুগেই বাস করছি। যখন বিশ্ব মোড়লরা নিজেদের ক্ষমতার দাপটে শিশুদের ওপর বিকৃত লালসা চরিতার্থ করে, তখন বুঝতে হবে সমাজ তার নৈতিক মেরুদণ্ড হারিয়ে ফেলেছে।
.
কিন্তু শুধু বড় নেতাদের দিকে আঙুল তুললে কি আমাদের দায় শেষ হবে?
.
আজ সাধারণ মানুষের হাতে হাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে পর্নোগ্রাফি ও বিকৃত কন্টেন্ট ছড়িয়ে পড়ছে, তা কি ঘরে ঘরে একেকজন ‘এপস্টিন’ তৈরি করছে না? এপস্টিনের দ্বীপে যা ঘটেছে, আজ আমাদের চারপাশের অলিতে গলিতে বা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মেও শিশুদের সাথে তার চেয়ে কম বিকৃতি ঘটছে না। কিছুদিন আগেও পত্রিকা খুললেই শিশু ধর্ষণের সংবাদ পেতাম।
.
হাদীসে এসেছে, যখন অশ্লীলতা প্রকাশ্য হয়, তখন এমন সব দুরারোগ্য ব্যাধি (মহামারি) আসে যা আগে কেউ দেখেনি (ইবনে মাজাহ: ৪০১৯)।
.
আসলে এপস্টিন ফাইলস আমাদের জন্য শুধু একটি স্ক্যান্ডাল নয়, বরং একটি বড় সতর্কবার্তা। ক্ষমতার চূড়ায় থাকা মানুষগুলো পশুর চেয়েও অধম হতে পারে যদি তাদের অন্তরে আল্লাহর ভয় না থাকে। এজন্য-
.
— অশ্লীলতাকে ‘ব্যক্তিগত স্বাধীনতা’ বলে প্রশ্রয় দেওয়া বন্ধ করতে হবে।
— স্মার্টফোন আর অনিয়ন্ত্রিত ইন্টারনেটের হাত থেকে আমাদের সন্তানদের বাঁচাতে হবে।
— যেকোনো বিকৃত রুচির কাউকে দেখলে তাকে কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। নয়ত বিকৃতি মানসিকতার মানুষরাই একসময় সমাজে মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে।
— লোকচক্ষুর অন্তরালেও যে একজন বিচারক দেখছেন, সেই বোধ জাগ্রত না হলে আইন দিয়ে এই বিকৃতি থামানো সম্ভব নয়। তাই সবার মনে আল্লাহভীতি বাড়াতে হবে।
.
পরিশেষ এটাই বলব, কিয়ামতের আলামতগুলো একে একে আমাদের সামনে স্পষ্ট হচ্ছে। আসুন, বিশ্বনেতাদের ব্যাপারে সতর্ক হবার পাশাপাশি নিজের ঘরের চারপাশটাকেও অশ্লীলতার বিষ থেকে মুক্ত রাখি। দিনশেষে, আল্লাহ আমাদের আমলনামারই হিসেব নেবেন।

© ওয়াফী লাইফ